অনলাইন ডেস্ক 312

তারুণ্যের অহংকার সৈয়দ মেহেদী রাসেল

ফরিদুল ইসলাম জাবরুল:

অনেক আদর্শবান ত্যাগী ও স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষ রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন এ কথা সবাই জানেন। বর্তমান রাজনীতি জনগণের কাছে একটা গালিতে, মিথ্যা রং তামাশায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন অসঙ্গতি ও মতভেদের কারণে দেশপ্রেমিক, জনদরদি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা অভিমান করে ঘরে বসে আছেন দেশের এই সুবর্ণসময়ে! অধিকার আদায়ের রাজপথ কাঁপানো মিছিলের ঝাঁঝালো কণ্ঠস্বরের মানুষগুলো আজ কেন নিভৃতচারী? স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর মানুষের সেবায় নিবেদিত। বেশিরভাগই তরুণ প্রজন্ম খুঁজে পাচ্ছে না তাদের আদর্শ রাজনৈতিক নেতা কে? এ এক ঘোরতর সংকট সোনার বাংলাদেশে। বাস্তবতার কারণে কোনো পিতা-মাতা স্বপ্ন দেখেন না তার সন্তান বড় হয়ে রাজনীতি করবে। বুকভরা আশা নিয়ে ভোট দিয়েও সাধারণ জনগণ পরে কেন ঘৃণা করেন জনপ্রতিনিধিদের? ফুলের মালা, হৃদয়ের ভালোবাসা অর্পণের কোনো মুখ নেই, কার গলায় দেব মুক্তির মালা, অথচ ইতিহাস বলে- বাঙালি জাতি রাজনীতি সচেতন। রাজপথে বহু যুদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে জন্ম দিয়েছিল স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশ। তবুও খুব কম সময়ের ব্যবধানে সে রাজনীতিকেই বাঁকা চোখে দেখার কারণ কী? নিশ্চয়ই এ সমস্যা সমাধানযোগ্য হতে পারে সর্বজন গ্রহণযোগ্য নেতার দ্বীপ্ত পদক্ষেপে।

 

কেউ এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন কেউ বা আবার নেতিবাচকভাবে নিয়েছেন। মতভেদ থাকতেই পারে, তবে দল-মত-নির্বিশেষে সবার প্রাণের মানুষ সৈয়দ মেহেদী রাসেল। তিনি ছিলেন নিজ বাহদুরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদ ইটাউরী- প্রতিষ্ঠাতা, ইটাউরী আইডিয়াল ব্লাড ব্যাংক এর প্রতিষ্ঠাতা, ইটাউরী আইডিয়াল স্পোর্টিং ক্লাবের সাবেক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক, সিলেট মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক, কানাডা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা, কানাডা আওয়ামীলীগ ক্যুইবেক শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, ‘সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনঽ প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কানাডায় প্রকাশিত বঙ্গবাণী পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক। মৌলভীবাজার জেলা বড়লেখা উপজেলার ইটাউরী সৈয়দ বাড়ী, পিতা সৈয়দ মাসুফ আহমদ এর সম্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। সিলেট মদন মোহন কলেজ থেকে স্লাতক ডিগ্রি শেষ করে বর্তমানে কানাডা অবস্থারত আছেন।

 

উনার দেশপ্রেমী সংগ্রামী জীবনই সাক্ষ্য দেয়- অসম্ভবকে সম্ভব করা উনার কাছে অসাধ্য কিছু নয়। নিন্দুকদের কৃত্রিম ভয় আর সমালোচনা কোনো দিন রুখতে পারবে না ভোরের সূর্যোদয়ের… ‘সৈয়দ মেহেদী রাসেল ফাউন্ডেশনঽ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কৃতী ব্যক্তি এ দুঃসময়ে রাজনীতিতে আসবেন- তা হতে পারে হাজারো তরুণের সম্মিলিত বিপ্লবের নবঅধ্যায়ের সূচনা। এত সুযোগ থাকার পরও সাধারণ জীবনযাপন যার ব্রত- সে মানুষটি জনসাধারণের আপন হতে পারবেন সহজাতভাবেই। তাই, সৈয়দ মেহেদী রাসেল রাজনীতিতে আগমন অত্যন্ত সময়োপযোগী শুভ বার্তা হিসেবেই মনে করছে আমার মতো আশাবাদীরা। উনার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগ ও অর্থায়নে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষকে সাহায্য করা, অসহায় ও গরিব ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা বৃত্তি ও বই পুস্তক বিতরন, বিদ্যালয়-মাদ্রাসায় শিক্ষা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা, খেলাধুলা বিকাশের জন্য বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে যাচ্ছে এই ফাউন্ডেশন।

 

সোনার বাংলার এই ক্রান্তিকালে সৈয়দ মেহেদী রাসেল আমাদের কাছে রাজনীতির আলোকবর্তিকা হিসেবে দেখা দেবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।
১৭ই নভেম্বর উনার জন্মদিন। জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

 

– ফরিদুল ইসলাম জাবরুল
সাবেক সহ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বড়লেখা উপজেলা শাখা।
১৭ই নভেম্বর ২০২২ইং

কানাডা

এই বিভাগের আরও খবর

বাবা চলে যাবার আজ তিন বছর
বাবা চলে যাবার আজ তিন বছর

বাবা চলে যাবার আজ তিন বছর

তারুণ্যের অহংকার সৈয়দ মেহেদী রাসেল
তারুণ্যের অহংকার সৈয়দ মেহেদী রাসেল

তারুণ্যের অহংকার সৈয়দ মেহেদী রাসেল

রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি
রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি

রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি

ধনী-গরিবের বৈষম্য কমিয়ে আনা জরুরি
ধনী-গরিবের বৈষম্য কমিয়ে আনা জরুরি

ধনী-গরিবের বৈষম্য কমিয়ে আনা জরুরি

শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান
শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান

শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান

বাজারে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস
বাজারে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস

বাজারে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস

close