অনলাইন ডেস্ক 77

৬ মাসে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক : দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেরু অ্যান্ড কোম্পানি অ্যালকোহল বিক্রি করে জুলাই ২০২২ থেকে ২০২২ ডিসেম্বর এই ৬ মাসে আয় করেছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি।

 

কোম্পানিটির একটি অভ্যন্তরীণ অডিট রিপোর্ট থেকে এরকম তথ্য পাওয়া গেছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যালকোহল বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় হয়েছিল ১৯২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে। আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

 

এর আগে ২০২১-২২ অর্থ-বছরে পুরো সময়ে সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড ছিল কোম্পানিটির। সেই সময় কোম্পানিটি আয় করে ৪২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ওই বছর রাজস্ব আদায় ও কোম্পানি পরিচালনাসহ সব খরচ বাদে কোম্পানি প্রকৃত মুনাফা করে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তার আগের ২০২০-২১ পুরো অর্থবছরে অ্যালকোহল বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৩১৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

 

কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে এই আয় আরও বাড়বে। কারণ প্রতিষ্ঠানটি একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে একই সঙ্গে দেশজুড়ে বিক্রয় ও বিক্রয় কেন্দ্র বাড়িয়েছে।

দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ৮৪ বছরের পুরনো একমাত্র অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু মোট ৯টি ব্যান্ডের অ্যালকোহল উৎপাদন করে।

 

কোম্পানিটির হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রায় ২১ হাজার কেসেরও বেশি অ্যালকোহল বিক্রি করছে কেরু। প্রতিষ্ঠানটি ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার ও ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে অ্যালকোহল বাজারজাত করে। একটি কেসে ৭৫০ মিলিলিটারের ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ৪৮টি বোতল থাকে।

 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেরুর উৎপাদিত অ্যালকোহল বিক্রির পরিমাণও বেড়েছে। গত বছর কোম্পানি প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি করেছিল। বিগত ৬ মাসে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

 

সারা দেশে কেরুর ১৩টি ওয়্যারহাউস ও ৩টি বিক্রয়কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে কক্সবাজারে একটি নতুন বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়েছে। এছাড়া রূপপুর ও কুয়াকাটায় ১টি করে বিক্রয় কেন্দ্র এবং রাজশাহী ও রামুতে ১টি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করেছে কেরু।

 

কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, কেরুর উৎপাদন আন্তর্জাতিক মানের। দেশি বাজারে চাহিদা বাড়ছে। এটির আরও আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম
সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম

সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম

পাসপোর্টে ডলার এনডোর্সমেন্টে নতুন শর্ত
পাসপোর্টে ডলার এনডোর্সমেন্টে নতুন শর্ত

পাসপোর্টে ডলার এনডোর্সমেন্টে নতুন শর্ত

জমজমের পানির নামে কী বিক্রি হচ্ছে বায়তুল মোকাররমে
জমজমের পানির নামে কী বিক্রি হচ্ছে বায়তুল মোকাররমে

জমজমের পানির নামে কী বিক্রি হচ্ছে বায়তুল মোকাররমে

৬ মাসে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা
৬ মাসে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

৬ মাসে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব

বাণিজ্য মেলায় নজর কাড়ছে ‘বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন’
বাণিজ্য মেলায় নজর কাড়ছে ‘বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন’

বাণিজ্য মেলায় নজর কাড়ছে ‘বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন’

দেশে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
দেশে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

দেশে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

এক নজরে প্রস্তাবিত বাজেট
এক নজরে প্রস্তাবিত বাজেট

এক নজরে প্রস্তাবিত বাজেট

close